1. editor@dainiknatuncomilla.com : napbulbul :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংবিধানের মূল ভিত্তি অক্ষুণ্ন রেখে সংশোধন করা যেতে পারে: ফজলুর রহমান সাভার-আশুলিয়ায় দুই শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা ছিনতাইয়ের ভিডিও ভাইরালের পর কুমিল্লায় গ্রেফতার ৪ ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচংয়ে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু সাজেদা ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিও প্রতিষ্ঠান এক নারী গ্রাহককে পুলিশে দিলেন এনজিও কর্মকর্তা দেবিদ্বারে ট্রাকচাপায় মায়ের সামনে মে‌য়ের মর্মান্তিক মৃত্যু ইউপি নির্বাচনে মেম্বার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী দিলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া চট্টগ্রামে পুলিশের ওপর হামলার মামলা: বগাসহ ৪ জন এক দিনের রিমান্ডে কুমিল্লায় দুই দিনব্যাপী শচীন মেলা সমাপ্ত ‘শচীন দেববর্মণ মিউজিককলেজ’ প্রতিষ্ঠার দাবি কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক নায়েবে আমির সদস্যপদ (রুকনিয়াত) বাতিল করেছে জামায়াতে ইসলামী

চলে গেলেন কিশোরগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম

মমিনুর রহমান বুলবুল
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
  • ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেক্স
চলে গেলেন কিশোরগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম
কিশোরগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগম (৯২) বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ জুন) ভোরে বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়ার বড়মাইপাড়া এলাকায় ভাগনির বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সখিনা বেগমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। বাদ আসর নামাজ শেষে নিকলীর গুরুই ঈদগাহ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং গুরুই শাহী মসজিদের পাশের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সখিনা বেগমের জন্ম নিকলী উপজেলার হাওর অধ্যুষিত গুরেুই গ্রামে। মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই স্বামী কিতাব আলী মারা যান। নিঃসন্তান সখিনা বেগম ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

যুদ্ধে তার ভাগ্নে মতিউর রহমান সম্মুখসমরে শহীদ হলে সখিনা বেগম প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠেন। তিনি বসু বাহিনীর ক্যাম্পে রাঁধুনির কাজ করতেন এবং রাজাকারদের গতিবিধি নজরদারি করে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য দিতেন। একপর্যায়ে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেও কৌশলে পালিয়ে আসেন। পালানোর সময় সাথে নিয়ে আসেন একটি ধারালো দা। সেই দা দিয়ে পরবর্তীতে তিনি পাঁচ রাজাকারকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

ঐতিহাসিক সেই দাটি বর্তমানে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। একাত্তরের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সখিনা বেগমকে বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব প্রদান করা হয়। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি বাজিতপুরের হিলচিয়ায় ভাগনি ফাইরুন্নেছা আক্তারের সাথে বসবাস করতেন।
নিকলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. তোতা মিয়া জানান, তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের একজন সাহসী সন্তান। তার মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD