
নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ মিছিলে ধাওয়া ও হামলার ঘটনার বিচার দাবিতে শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরপাড়া শশ্মান কালী মন্দিরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নেতৃবৃন্দ। এসময় হামলাকারী অবিলম্বে গ্রেফতার, এমপি বাহাউদ্দিন বাহারের শারদীয় দুর্গাপূজা সংক্রান্ত বক্তব্য প্রত্যাহার, দুর্গা পূজার আগে ও পরে ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি চোরাগুপ্তা হামলা যাতে না হয় তার ব্যবস্থা, শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা উদযাপনের দাবি জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস বকসী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. বিকাশ সাহা, যুব ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুন্ডু, যুব সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চক্রবর্তী, সাংগঠনিক মধুসূধন বিশ্বাস, ঐক্য পরিষদের দপ্তর সম্পাদক দিপক মজুমদার, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শ্যামল দে, যুব বিষয়ক সম্পাদক জয়ন্ত চক্রবর্তীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- ‘কুমিল্লা সদরের সাংসদ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার কর্তৃক ‘মদমুক্ত পূজা’ সংক্রান্ত ধর্মীয় কূটক্তি, সাংসদ মৃণাল কান্তিকে ‘মালোয়ান’ কবি রাধাপদের উপর হামলা, সারাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে সারাদেশে ছাত্র ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লা শহরের রানীর বাজার রাসস্থলী (রামঠাকুর আশ্রম) মন্দিরের সামনে কুমিল্লা জেলা যুব ঐক্য পরিষদ, ছাত্র ঐক্য পরিষদ, মহানগর যুব ঐক্য পরিষদ, কুমিল্লা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবন্দ বেলা ১১টায় সমাবেশে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখার পর মিছিল সহকারে অগ্রসর হওয়ার পর কুমিল্লা নজরুল এভিনিউ, কুমিল্লা আয়কর অফিসের সামনে এলে কুমিল্লা সদরের সাংসদ বাহাউদ্দিন বাহার কর্তৃক পূর্ব ঘোষিত সমাবেশ ও মিছিল প্রতিহতের অংশ হিসেবে মহানগর যুবলীগ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ঐক্য পরিষদের মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের উপর পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় যুব পরিষদের অদৈত দাস, শশ্মান কালী বাড়ির সদস্য সুনীল দাস ও তন্ময় দাস আহত হয়। মহিলা ঐক্য পরিষদের মহিলারা প্রাণভয়ে ছুটাছুটি, ইটের আঘাতে অনেকে আহত হয়